চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ছেংগারচর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের তালতলী গ্রামে এক অসহায় মেয়ে শারমিন আক্তার। তার বাবাকে হারিয়ে এখন মাকেও চিকিৎসার অভাবে হারাতে বসেছেন। তার বাবা সাহাবুদ্দিন মোল্লা বেঁচে থাকতে তার নামে জমি লিখে দিয়েছেন। ওই জমি বিক্রি করে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করাতে চাইছেন। কিন্তু তাতে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তার জেঠাতো ভাই জসিম উদ্দিন।
শারমিন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি আমার বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। আমার বাবা মৃত্যুবরণ করার আগে আমাকে সাড়ে ৮ শতাংশ জায়গা লিখে দিয়েছেন। এখন আমার মা ষ্ট্রোক করে মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। মায়ের চিকিৎসা করাতে অনেক টাকার প্রয়োজন বিধায় জমিটুকু বিক্রি করতে চাইছি। কিন্তু যেই জমি কিনতে চায় তাকেই মেরে ফেলার হুমকি দেয় জেঠাতো ভাই জসিম উদ্দিন। তাই কেউ জমি কিনতে চায় না। আমি এখন অসহায় হয়ে প্রশাসন ও দেশবাসীর কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।
তিনি আরো বলেন, ব্যাসদী মৌজার ১৫১২৬ দাগে আমার নিজ নামে দলিল ও নামজারি থাকা সত্তেও আামর ভাই জেঠাতো ভাই সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে আমার ক্রেতাদেরকে বাঁধা প্রদান করছে। এমনকি ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে, চাঁদা না দিলে জমি বিক্রি করতে পারবো না।
শারমিনের প্রতিবেশীরা জানায়, তার বাবা দুই ভাই। বড় ভাই রেহান উদ্দিন মোল্লা তার সমস্ত সম্পত্তি জীবিত থাকতেই বিক্রি করে গেছেন। আর শারমিনের বাবা সাহাবুদ্দিন মোল্লা তার নামে সাড়ে ৮ শতাংশ জমি দলিল করে দিয়েছে। জসিম যেই বাঁধা দিচ্ছে তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।
এলাকাবাসী জানায়, আমরা অনেক দিন ধরে আমরা সমাধা করেছি। থানায়ও একাধিক অভিযোগ রয়েছে জসিমের বিরুদ্ধে। কিন্তু জসিম একটা খারাপ লোক, সে এলাকায় চুরি বাটপারি করে বেড়ায়। কারো কোন কথা তোয়াক্কা করে না।
এদিকে জসিম উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি এখানে জায়গা পাবো, কেউ এই জায়গার মধ্যে আসতে পারবে না। কিন্তু কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি।